রোববার (৩ মে) দুপুরে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌর যুবদলের পক্ষ থেকে ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১২টির আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে গাজী এনামুল হক ওরফে সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। পরে জানা যায়, তিনি ২০১৭ সালে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর জেলাজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। এর জেরে কমিটি ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ জন সদস্য পদত্যাগ করেন।
পরিস্থিতি বিবেচনায় কেন্দ্রীয় যুবদল ফেনী পৌর যুবদলের বর্তমান কমিটি স্থগিত করে এবং ঘোষিত ১২টি ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব কমিটির কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
এদিকে, তথ্য গোপন করে দলীয় পদ গ্রহণ করায় গাজী এনামুল হককে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদও স্থগিত করা হয়। দল জানিয়েছে, বহিষ্কৃত ব্যক্তির কোনো কর্মকাণ্ডের দায় তারা নেবে না এবং নেতা-কর্মীদের তাঁর সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি এ কে এম জাহিদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারীকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফেনীর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
মন্তব্য করুন